বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০১১

http://www.blogger.com/pos

বাংলাদেশে রোবট তৈরি, চাঁদে পাঠাবে নাসা

সালমান ফরিদ: রোবট নির্মাণের তালিকায় নাম লিখিয়েছে বাংলাদেশ। কন্টেইনার আদলে নতুন ধরনের এই রোবট তৈরি করেছেন এদেশের একদল মেধাবী বিজ্ঞানী। এর নাম দেয়া হয়েছে ‘চন্দ্রবোট’। গ্রহান্তরে এটি নিখুঁত ও তুলনামূলক সহজে মাটি, বালু বা পাথর জাতীয় নমুনা সংগ্রহের কাজ করতে পারবে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাবে দীর্ঘ ৭ মাসের পরিশ্রমে বিজ্ঞানীরা তৈরি করেছেন রোবটটি। বিজ্ঞানীদের মধ্যে ৩ জন শিক্ষক এবং ৮ শিক্ষার্থী রয়েছেন। তারা সবাই ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের। চন্দ্রবোটকে নিয়ে আগামীকাল শনিবার বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশ ত্যাগ করবেন। যাবেন যুক্তরাষ্ট্রের কলোরোডোয় অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টারে। সেখানে ২৩ থেকে ২৮শে মে পর্যন্ত বিশ্বের শীর্ষ বহির্বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা আয়োজিত নাসা’স সেকেন্ড এনুয়াল লুনাবোটিকস মিনিং কম্পিটিশনে অংশ নেবে চন্দ্রবোট। এটিই হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাসে নাসা’র বৃহৎ বৈজ্ঞানিক প্রতিযোগিতায় প্রথম অংশগ্রহণ এবং রোবট তৈরির মতো বড় কোন ঘটনা। এই প্রতিযোগিতায় সেরা হলেই একে পাঠানো হবে পৃথিবীর বাইরে। সেটা হতে পারে চাঁদ কিংবা মঙ্গল গ্রহে। এমনটাই আশাবাদী নির্মাণের বিজ্ঞানীরা। দলের প্রধান প্রফেসর ড. মো. খলিলুর রহমান বলেন, আমরা সফল ভাবেই চন্দ্রবোট তৈরি সম্পন্ন করতে পেরেছি। আমাদের প্রত্যাশা, নাসা একেই পাঠাবে বহির্বিশ্বে। তিনি রোবট নির্মাণের এই সাফল্য এবং রোবট গ্রহে পাঠানোর মতো বিরল সাফল্য অর্জন হলে তা পুরো বাংলাদেশের হবে বলে মন্তব্য করেন।
গতকাল ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে গিয়ে দেখা যায়, দেশের ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের নিয়ে প্রফেসর খলিলুর রহমান চন্দ্রবোটের সর্বশেষ কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। তারা বলেন, ২০১০ সালের অক্টোবর মাসে নাসা দ্বিতীয় লুনাবোটিকস কম্পিটিশন আহ্বান করে। অংশগ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আবেদন করা হয়। এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে নাসা’র রোবট তৈরির একটি নির্দেশনা ছিল। আবেদনের জবাব পাওয়ার আগেই সে অনুযায়ী অক্টোবরের ২০ তারিখ চন্দ্রবোট নির্মাতা দলের সদস্যরা একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন। নাসা’র কোন সাড়া না পেলেও তারা রোবটটি কেমন হবে, ডিজাইন কি রকম করা যায় এবিষয়ে পরিকল্পনা নেন। এ পর্যায়ে চন্দ্রবোট তৈরি যখন সম্ভব মনে হয়, তার কিছু দিন পর নাসা থেকে জানানো হয়, প্রতিযোগিতা হচ্ছে না। কিন্তু তারপরও বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা তাদের কাজ থামাননি। পরিকল্পনা মতোই কাজ এগোতে থাকে। এর মধ্যে কম্পিউটার বিভাগের ছাত্র শিবলী ইমতিয়াজ হাসান রোবটের একটি থ্রি-ডি ক্যাড-এ এনিমেশন তৈরি করে। এটিকে ইন্টারনেটের ইউটিউবে আপলোড করা হয়। পাশাপাশি পাঠানো হয় নাসা’র কাছেও। সেখানে এটি কিভাবে কাজ করবে, কেমন হবে তার একটি স্পষ্ট বর্ণনাও দেয়া হয়। এতেই আগ্রহী হয়ে ওঠে নাসা। সঙ্গে সঙ্গে এটিকে মনোনয়নের কথা জানিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে অনুরোধ করা হয়। বিজ্ঞানীরা জানান, এটি তৈরি হয়েছে পুরোপুরি নিজস্ব টেকনোলজিতে। পরিবেশবান্ধব করা হয়েছে একে। এর কাঠামোর বিভিন্ন অংশ নেয়া হয়েছে পরিত্যক্ত বা ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি থেকে। এর মধ্যে রয়েছে মোটরসাইকেল ও বাস। তৈরিতে বাইরে থেকে শুধুমাত্র ওয়ার্কশপের এক ঝালাই মেকানিকের সহায়তা নেয়া হয়েছে। বাকি সব কাজই করেছেন বিজ্ঞানীরা। এই দলের অন্য সদস্য হলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. বেলাল ভূঁইয়া ও ড. মোসাদ্দেকুর রহমান। শিক্ষার্থীরা হচ্ছেন শিবলী ইমতিয়াজ হাসান, মো. জোনায়েদ হোসেন, মাহমুদুল হাসান অয়ন, আসিফুর রহমান, কাজী মুহাম্মদ রাজিন, ইফতিখার করীম রাহাত, ইমরান বিন জাফর এবং নির্ঝর তাহমিদুর রউফ। তারা বলেন, এই রোবটটি দু’টি জোনে কাজ করবে। প্রতিযোগিতায়ও এরকম জোন রাখা হবে। জোনগুলো হচ্ছে অবস্ট্রাকল ও মাইনিং। অবস্ট্রাকল জোনকে ধরে নেয়া হবে যেখানে রকেট অবতরণ করেছে সে জায়গা হিসেবে। যেহেতু রকেট অবতরণের পর সেখানকার মাটি পুড়ে যায় বা আসল অবস্থার কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। তাই গ্রহ থেকে নমুনা সংগ্রহে রোবটকে যেতে হবে একটু দূরে- মাইনিং জোনে। সেখান থেকে নমুনা এনে আবার রকেটে ফেলতে হবে। এটি সম্পূর্ণ রিমোট কন্ট্রোলে নিয়ন্ত্রিত হবে। চন্দ্রবোট তৈরিতে ব্যয় হয়েছে মাত্র ৯০ হাজার টাকা। এর মধ্যে উপাদানের মূল্য পড়েছে ৩৫ হাজার টাকার মতো। যন্ত্রাংশগুলোর মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হচ্ছে বাসের পাদানির অ্যাঙ্গেল, মোটরসাইকেলের চেইন, স্টকেট ও রিং। ব্যাটারিই হচ্ছে এর একমাত্র জ্বালানি। তবে ব্যাটারিতে কোন লিকুইড থাকছে না। রোবটটি নাসা’র প্রতিযোগিতায় সাড়ে তিন বাই সাত মিটার দূরত্বের জায়গায় সর্বোচ্চ নমুনা সংগ্রহ করতে পারলেই গ্রহে যাওয়ার টিকিট পাবে চন্দ্রবোট। ড. খলিলুর রহমান বলেন, প্রতিযোগিতার সময় বাংলাদেশী বিজ্ঞানীরা এটি পরিচালনা করবেন। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে যেমন আমাদের জন্য একটি গৌরবের বিষয় হবে, তেমনি নাসায়ও আমাদের বিজ্ঞানীদের রোবট নিয়ে কাজের সুযোগ তৈরি হবে।

http://newgenarationkushtia.blogspot.com/

দৌলতপুরে ২ প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত ৫

(কুষ্টিয়া, ১৯ মে : )
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সৌদিপাড়া গ্রামে বুধবার রাত ১০টার দিকে ২ চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ২ জন গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনী গণসংযোগের সময় ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ২ প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থী বিএনপি সমর্থিত রিয়াজ উদ্দিন ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত জহিরুল ইসলামের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষের মধ্যে অন্তত ৫-৭ রাউন্ড গুলিবিনিময় ও ব্যাপক ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াজ উদ্দিনের সমর্থক সৌদিপাড়া গ্রামের জিন্নাত ঠাকুরের ২ ছেলে জিয়ারুল ইসলাম (৩০) ও তার ছোট ভাই শফিকুল (২৮) ইসলাম গুলিবিদ্ধ হয়। ধারাল অস্ত্রের আঘাতে আহত হয় আওয়ামী লীগ সমর্থিত জহিরুল ইসলামের সমর্থক একই এলাকার শিল্টু (২০), ময়নুল (২৫) ও কালাচঁvদ (৩৬)। সংঘর্ষের খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।
সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও বাকিদের কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করতে করছে।

বুধবার, ১৮ মে, ২০১১

http://newgenarationkushtia.blogspot.com/

‘ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন’
বুধবার, ১৮ মে ২০১১
স্টাফ রিপোর্টার: যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরীফ আবদুর রাকিবকে নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন যশোরের আইনজীবী সমাজ। রোববার সন্ধ্যায় শহরের আরবপুর এলাকায় মৎস্য ভবনের রেস্ট হাউজে মহিলাসহ আপত্তিকর অবস্থায় জনতার হাতে ধরা পড়ার ঘটনা শহরে মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়লে এই বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। জনতার হাতে আটকের পর রাকিব সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। তবে এই ঘটনা পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ায় তোলপাড় শুরু হয়েছে সাধারণ সদস্যদের মধ্যে। এই বিষয়ে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহে মাঠে নেমেছেন একদল তরুণ আইনজীবী। তাদের কথা হচ্ছে, এই ঘটনা যদি সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে রাকিবকে তার পদ থেকে সরে যেতে হবে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। রাকিবের পুরনো রাজনৈতিক সহকর্মীরাও এই বিষয় নিয়ে বিব্রত। তবে দলের দায়িত্বশীল কোন মহল এ ব্যাপারে মুখ খুলতে নারাজ। জেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা বলেন, রাকিব বর্তমানে দল থেকে বহিষ্কৃত। দলের প্রাথমিক কোন সদস্য পদও তার নেই। এহেন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তাকে দলের হাইকমান্ড বেশ আগেই  দল থেকে বহিষ্কার করেছে। সুযোগ পেলেই তিনি দলের সঙ্গে, কর্মীদের সঙ্গে বেঈমানি করেছেন। তার কারণে দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার কাছে দলের নারীকর্মীরা পর্যন্ত নিরাপদ ছিলেন না। ফলে রাকিব নতুন করে যে ঘটনা ঘটিয়েছেন, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এটা তার পুরনো অভ্যাস। এর আগেও তিনি এই ধরনের একাধিক ঘটনায় জনতার হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন।
গত রোববার সন্ধ্যায় লোকমুখে খবর শুনে স্থানীয় পত্রিকার সাংবাদিকরা ছুটে গিয়েছিলেন শহরের মৎস্য ভবনের রেস্ট হাউসে। সেখানে এলাকার লোকজন ও স্থানীয় পত্রিকার ফটো সাংবাদিকরা নগ্ন মহিলাসহ রাকিবের ছবিও তোলেন। মুহূর্তে এ খবর রটে যায় শহরময়। সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটলেও পুলিশ রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে রাকিবকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেয়।
এদিকে রাকিবের এই ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিবিদ, আইনজীবী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন। মুখে তাদের অনেকেই বিষয়টি স্বীকার করেছেন, এটি নিয়ে রসিকতাও করছেন অনেকে; কিন্তু মিডিয়ার সামনে তারা কিছুই বলতে চাইছেন না।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান বলেন, ঘটনা শুনেছি, সত্য-মিথ্যা এখনও জানি না। তিনি বলেন, সমিতির সদস্যদের অনেকেই এ ব্যাপারে আমার কাছে জানতে চাইছেন, কেউ কেউ ক্ষোভও প্রকাশ করছেন, অনেকে বিষয়টি নিয়ে হাসাহাসিও করছেন। তিনি বলেন, ঘটনা যা-ই হোক, এতে আইনজীবী সমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। সভাপতি হিসেবে তিনি আইনের এই প্রতিষ্ঠানকে কলঙ্কিত করেছেন।
সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম বাচ্চু বলেছেন, এটি একটি কঠিন ষড়যন্ত্র বলেই মনে হচ্ছে। রাকিব সাহেবের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসনকে অনুরোধ করবো আমরা।
জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক  অ্যাডভোকেট সাবেরুল হক সাবু বলেছেন, কারও ব্যক্তিগত বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। রাকিব যদি সত্যিই কিছু করে থাকেন তবে তার দায়দায়িত্ব তার নিজের।
দুই কন্যা সন্তানের জনক রাকিব ছাত্রজীবনে গোপালগঞ্জ থেকে যশোর চলে আসেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি শুরু করেন ছাত্র রাজনীতি। ছাত্রলীগের রাজনীতি শেষ করে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দেন। ’৯৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে রাকিব পত্নী আলেয়া আফরোজ মহিলা কোটায় এমপি নির্বাচিত হয়ে আলোচিত-সমালোচিত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে রাকিব দলীয় প্রার্থী আলী রেজা রাজুর বিরোধিতা করে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী শাহেদ আহমেদের চশমা মার্কার পক্ষে নির্বাচন করেন। দলীয় সভানেত্রীর নির্দেশ সত্ত্বেও তিনি রাজু’র পক্ষে নির্বাচন না করায় দলের মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা চরম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। শুরু হয় রাকিবের রাজনৈতিক পতন। যশোর পৌর নির্বাচনেও তার ভরাডুবি ঘটে। পরবর্তীকালে দলের জেলা সম্মেলনেও তিনি পরাজিত হন। একপর্যায়ে নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে তাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়। দলের একাধিক নেতা মনে করেন, রাকিবের এই অধঃপতনের জন্য তার চারিত্রিক দুর্বলতা অনেকটা দায়ী।
রাকিবের সমর্থকরা জানান, ঘটনা যেভাবে বলা হচ্ছে, আসলে তা নয়। ওই গৃহবধূর সঙ্গে মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে শলাপরামর্শ করতেই তিনি তাকে নিয়ে মৎস্য ভবনের রেস্ট হাউসে গিয়েছিলেন। সেখানে বেনাপোল থেকে আরও দু’একজনের আসার কথা ছিল। রাকিব ভাইকে তার ড্রাইভার গাড়িতে করে মৎস্য ভবনে নামিয়ে দিয়ে এসে পাশের আদ্বীন হাসপাতালের সামনে গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। কাজ শেষ করে তার যশোর ক্লাবে আসার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই ষড়যন্ত্রকারীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এদিকে রেস্ট হাউসের কেয়ারটেকার ফজল আলী জানিয়েছেন, রাকিব স্যার গত মাসের ২১ তারিখেও ওই মহিলাকে নিয়ে রেস্ট হাউসে আসেন। ঘণ্টা দুই অবস্থান করে চলে যান। যাওয়ার সময় তাকে ২শ’ টাকাও দিয়ে যান। ঘটনার দিন তিনিসহ মহিলাটি আসে। দরজা খুলে দিতে বললে আমি দোতলার রুমটি খুলে দিই। তাদের হাতে একটি বোতল ও একটি প্যাকেট ছিল। রাকিব স্যার আমাকে গ্লাস দিতে বলেন। আমি গ্লাস নিয়ে আসি। তিনি আমাকে গ্লাস রেখে চলে যেতে বলেন। আমি বের হলে তিনি ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। আমি রেস্ট হাউসের নিচ তলায় কাজে ব্যস্ত ছিলাম। প্রায় এক-দেড় ঘণ্টা পরে হৈচৈ শুনে উপরে উঠে দেখি এ অবস্থা। মহিলাটি কান্নাকাটি করছে। রাকিব সাহেবের বেহাল অবস্থা। টেবিলের পরে তখনও বোতল, একটা গামলা ও দু’টি গ্লাস ছিল। রাকিব সাহেব টলছিলেন। আর যুবকরা রাকিব সাহেব ও মহিলাটিকে মারধর করছিল। এ ব্যাপারে ফজল নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, যে দোষ করেছে সে শাস্তি পেয়েছে। এতে আমার অপরাধ কোথায় ? আমি তো হুকুমের গোলাম।
এদিকে গতকাল যশোরে মানবজমিন ছিল ‘টক অব দ্য টাউন’। রাতেই টেলিভিশন ও ইন্টারনেটের কল্যাণে অনেকে সচিত্র এই প্রতিবেদনটি সম্পর্কে জানতে পারেন। সকালে বিভিন্ন পত্রিকা এজেন্টের দোকানে উৎসুক জনতার ঢল নামে। মানুষের হাতে হাতে ছড়িয়ে পড়ে পত্রিকা। সকাল সাড়ে ৯টার সময় মেসার্স এজাহার আলী, মেসার্স আনোয়ার আলম ব্রাদার্স ও মেসার্স হাফিজুর রহমানের ঘরে দেখা দেয় পত্রিকার সঙ্কট। এজেন্ট হাফিজুর রহমান মোবাইলে মানবজমিনকে জানান, নিয়মিত সংখ্যার অতিরিক্ত যত কপি এসেছিল সব শেষ। আনোয়ার আলম ব্রাদার্সের আলম বলেন, সকালেই সব কাগজ বিক্রি হয়ে গেছে। এখন যারা আসছেন, তাদের কোন পত্রিকা দিতে পারছি না। এদিকে এই খবর যাতে সাধারণ পাঠকের হাতে না পৌঁছায় তার জন্য রাকিবের সমর্থকরা বিভিন্ন এজেন্ট ও হকারের কাছ থেকে উচ্চ মূল্যে পত্রিকা সংগ্রহে মাঠে নামে বেলা সাড়ে ৯টার পরে। ততক্ষণে পত্রিকা সবার হাতে হাতে। তার পরও বিভিন্ন হকারের কাছ থেকে বেশ কিছু সংখ্যক পত্রিকা রাকিবের সমর্থকরা উচ্চ মূল্যে সংগ্রহ করে নেন। এদিকে পাঠকরা পত্রিকা না পেয়ে শহরের দড়াটানা, ঈদগাহ ময়দান, জর্জ কোর্ট চত্বর, কালেকটরেট, মনিহার, চৌরাস্তা, খাজুরা বাসস্ট্যান্ড এলাকার ফটোকপির দোকান থেকে ১৫-২০ টাকায় ফটোকপি সংগ্রহ করেছেন।
http://www.mzamin.com/index.php?option=com_content&view=article&id=9585:2011-05-17-16-29-07&catid=49:2010-08-31-09-43-32&Itemid=83

শিশু পরিবারের ছাত্রদের কুষ্টিয়া ডিসি অফিস ঘেরাও


কুষ্টিয়া, ১৮ মে :    কুষ্টিয়ায় বিভিন্ন দাবিতে ডিসি অফিস ঘেরাও করে শিশু পরিবার (বালক)-এর এতিম ছাত্ররা। আজ বুধবার দুপুরে খাবার, পোশাক ও চিকিৎসাসহ বিভিন্ন দাবিতে শতাধিক ছাত্র এ কর্মসূচি পালন করে।
জানা গেছে, আজ সকালে বিভিন্ন দাবিতে জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নানের সাথে দেখা করে শিশু পরিবার (বালক)-এর এতিম ছাত্ররা। এ সময় তারা বিভিন্ন অভিযোগ ও শিক্ষকদের অনিময় দুর্নীতির বিষয়ে তাকে অবহিত করে। পরে তারা জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করে।
এ ব্যাপারে ছাত্র ছানোয়ার হোসেন জানায়, গত তিন মাস যাবৎ শিক্ষকরা তাদের ঠিকমত খেতে দেয় না। ছাত্রদের পচা মাছ খেতে দেয়া হয়। অথচ শিক্ষকদের বাসায় বড় বড় মাছ ও বাজার করে পাঠানো হয়।
৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র হৃদয় হোসেন জানায়, তাদেরকে বাজারের সব চেয়ে নিম্নমানের পোশাক সরবরাহ করা হয়। যে পোশাক কয়েক মাসও পরা যায় না। প্রতিষ্ঠান থেকে জুতা দেয়ার কথা থাকলেও তা দেয়া হচ্ছে না। ছাত্ররা জুতা চাইলে শিক্ষকরা তেড়ে আসেন বলে সে জানায়। চিকিৎসা হলেও ওষুধ জোটে না। উল্টো কি কারণে অসুখ হয়েছে তার জন্য জবাবদিহি করতে হয় বলে সে জানায়। ওষুধ চাওয়ায় গত সপ্তাহে ৯ম শ্রেণীর ছাত্র মাসুদ রানাকে বেধড়ক পেটায় শিক্ষকরা। গাছ থেকে লেবু তোলার অবরাধে দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র পরমেশ বিশ্বাসের খাবার বন্ধ করে দেয়াসহ তাকে বেধড়ক পেটায় নিবাসের শিক্ষকরা।
পরমেষ জানায়, নিবাসের শিক্ষক এলাহি, সেলিম, আব্দুল সালামসহ আরো কয়েকজন শিক্ষক অকারণে ছাত্রদের উপর নির্যাতন করে। তালিকা অনুযায়ী কোনো খাবার দেয়া হয় না।
প্রত্যেক ছাত্রের জন্য চিনি ও সাবান বরাদ্দ থাকলেও তা দেয়া হয় না। এসব সাবান-চিনি তত্ত্বাবধায়কসহ শিক্ষকদের বাড়িতে চলে যায় বলে সে জানায়। নিবাসে বিভিন্ন ফলের গাছ থাকলেও তারা সে ফল খেতে পারে না। এসব ফল শিক্ষকরা নিজেদের বাড়িতে নিয়ে যায়।
জেলা সমাজ সেবার উপ-পরিচালক আব্দুল মান্নান জানান, ছাত্ররা যেসব অভিযোগ করেছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অনিয়ম প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে শিক্ষকদের অবহেলার কারণে এক ছাত্রকে সন্ত্রাসীরা অপহরণের পর হত্যা করে। এ ঘটনায় ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা হলেও তা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার, ১৭ মে, ২০১১

বিয়ে ছাড়াই বাবা হয়েছেন হলিউডের অভিনেতা শোয়ার্জেনেগার


হলিউডের বিখ্যাত অভিনেতা ও ক্যালিফোর্নিয়ার সাবেক গভর্নর আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগারের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী মারিয়া শ্রিডারের বিবাহ বিচ্ছেদের মূল কারণ প্রকাশিত হয়েছে।
শোয়ার্জেনেগার স্বীকার করেছেন, ১০ বছর আগে তাঁর গৃহপরিচারিকার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে তিনি সন্তানের বাবা হন। ওই নারী তাঁর বাড়িতে ২০ বছর কাজ করে গত জানুয়ারিতে অবসর নেন। শোয়ার্জেনেগার গভর্নর পদ থেকে অবসর নেওয়ার পর ঘটনাটি তাঁর স্ত্রীর কাছে প্রকাশ করেন।
লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসে পাঠানো এক বিবৃতিতে শোয়ার্জেনেগার বলেন, ‘আমি বুঝতে পারছি, এই বিষয়টি আমার পরিবার ও বন্ধুদের মধ্যে কী রোষ ও হতাশার সৃষ্টি করেছে। এই কাজের জন্য আমি কোনো ক্ষমা পাওয়ার যোগ্য নই। আমি আমার স্ত্রী মারিয়া, আমার সন্তান ও পরিবারের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। আমি একান্তভাবে দুঃখিত।’ এপি।

ইবিতে অনুজীববিজ্ঞান বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

   ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুজীব বিজ্ঞান বিষয়ক সেমিনার রোববার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইবি’র বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের ৩৪৪নং কক্ষে বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় ‘মাইক্রোবিয়াল বায়োডাইভার্সিটি ইন এ উডেন রাইপেরিয়ান জোন স্পেসিফিক্যালি ডেজিগনেটেড ফর এনহ্যানন্সিং ডিনাইট্রিফিকেশন প্রসেস’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এতে বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি  ড. রেজওয়ানুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও বিভাগের শিক্ষক ও সিন্ডিকেট সদস্য আবু হেনা মো. মোস্তফা জামাল (হ্যাপী)’র উপস্থাপনায় সেমিনারের মূল বক্তব্য রাখেন ড. মিজানুর রহমান।
এ সময় বিভাগের সকল শিক্ষকসহ শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিত ছিল।
উল্লেখ্য, ড. মিজানুর রহমান উক্ত বিষয়ের উপর ইটালির বিখ্যাত পাদোয়া বিশ্ববিদ্যালয় এ বায়োটেকনোলজি বিভাগ  থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।
BANGLADESH IS OUR MOTHER LAND. WE ARE PROUDE ABOUT IT.
KUSHTIA IS ONE OF THE MOST BEAUYFULL DISTRICT OF BANGLADESH.
IT'S CALL THE CULTARUL CITY OF BANGLADESH. (THANKS TO ALL)